|

রোগীদের সাথে ভালো ব্যবহার করুন : মমেকহা পরিচালক

প্রকাশিতঃ 4:49 pm | December 15, 2018

রোগীদের সাথে ভালো ব্যবহার করুন,আমি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩ বছর ২ মাস কাজ করছি।সকল ভালো অর্জনের পিছনে সকল পর্যায়ের অধ্যাপক, হাসপাতের সকল চিকিৎসক, নার্সিং অফিসার,সকল টেকনলজিস্ট, তৃতীয় ও শ্রেণির কর্মচারী,পুলিশ, আনসার, আউট সোর্সিং এর জনবলের সহযোগিতা সর্বোপরি ময়মনসিংহ বিভাগবাসীর অকুন্ঠ সমর্থন আমাদেরকে হাসপাতাল চালাতে সাহায্য করেছে। অনেক প্রতিকূলতায় আল্লাহ সাহায্য করেছেন।

আমি কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আপনাদের অবহিত করছি।

আমরা যা করেছি তা পর্যাপ্ত নাহলেও কিছুটা অগ্রগতি হয়েছে।

আমরা আগামী দুই মাসে যা যা সংযোজন করতে যাচ্ছি।

► আধুনিক MRI মেশিন ও CT স্কেন মেশিন।

► ক্যাথ ল্যাব মেশিন যাতে হার্টে রিং পরানো যাবে।
► কিডনি ডায়ালাইসিস মেশিন।
► ডায়াবেটিস ও হরমোন ক্লিনিক।
► হাইপার টেনশান বা ব্লাড প্রেশার ক্লিনিক।

(এগুলো ২০১৯ সালেরফেব্রুয়ারী থেকে জুনের মধ্যে চালু হবে। মেসিন আমাদের হাসপাতালে এসে গেছে ও আসার পথে।)

► পেসেন্ট ওয়েলফেয়ার সার্ভিস।
► থ্যালাসেমিয়া ক্লিনিক।
► রোগী ট্রিটমেন্ট বুক যাতে রোগীর সব ইতিহাস লিপিবদ্ধ থাকবে। ৩০ টাকা দিয়ে কিনতে হবে শুধু ছাপার খরচ।

 

রোগী ও স্বজনদের দায়িত্ব:

► হাসপাতালে অপ্রয়োজনীয় কারণে আসবেন না।

► একজন রোগীর সাথে একজন অ্যাটেনডেন্ট থাকবেন ফেরতযোগ্য ২০০ টাকা নিয়ে অ্যাটেনন্ডেন্ট পাস ক্রয় করবেন।                                         ► ওয়ার্ডে থাকাকালীন সময়ে ময়লা আবর্জনা জানালা বা বারান্দা দিয়ে ফেলবেন না।
► টয়লেটে সেনিটারি প্যাড ফেলবেন না।

আমি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩ বছর ২ মাস কাজ করছি।
সকল ভালো অর্জনের পিছনে সকল পর্যায়ের অধ্যাপক, হাসপাতের সকল চিকিৎসক, নার্সিং অফিসার,সকল টেকনলজিস্ট, তৃতীয় ও শ্রেণির কর্মচারী,পুলিশ, আনসার, আউট সোর্সিং এর জনবলের সহযোগিতা সর্বোপরি ময়মনসিংহ বিভাগবাসীর অকুন্ঠ সমর্থন আমাদেরকে হাসপাতাল চালাতে সাহায্য করেছে। অনেক প্রতিকূলতায় আল্লাহ সাহায্য করেছেন।

আমি কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আপনাদের অবহিত করছি।

আমরা যা করেছি তা পর্যাপ্ত নাহলেও কিছুটা অগ্রগতি হয়েছে।

আমরা আগামী দুই মাসে যা যা সংযোজন করতে যাচ্ছি।
► আধুনিক MRI মেশিন ও CT স্কেন মেশিন।
► ক্যাথ ল্যাব মেশিন যাতে হার্টে রিং পরানো যাবে।
► কিডনি ডায়ালাইসিস মেশিন।
► ডায়াবেটিস ও হরমোন ক্লিনিক।
► হাইপার টেনশান বা ব্লাড প্রেশার ক্লিনিক।

(এগুলো ২০১৯ সালেরফেব্রুয়ারী থেকে জুনের মধ্যে চালু হবে। মেসিন আমাদের হাসপাতালে এসে গেছে ও আসার পথে।)

► পেসেন্ট ওয়েলফেয়ার সার্ভিস।
► থ্যালাসেমিয়া ক্লিনিক।
► রোগী ট্রিটমেন্ট বুক যাতে রোগীর সব ইতিহাস লিপিবদ্ধ থাকবে। ৩০ টাকা দিয়ে কিনতে হবে শুধু ছাপার খরচ।

 

রোগী ও স্বজনদের দায়িত্ব:

► হাসপাতালে অপ্রয়োজনীয় কারণে আসবেন না।
► একজন রোগীর সাথে একজন অ্যাটেনডেন্ট থাকবেন ফেরতযোগ্য ২০০ টাকা নিয়ে অ্যাটেনন্ডেন্ট পাস ক্রয় করবেন।
► ওয়ার্ডে থাকাকালীন সময়ে ময়লা আবর্জনা জানালা বা বারান্দা দিয়ে ফেলবেন না।
► টয়লেটে সেনিটারি প্যাড ফেলবেন না।
► জরুরী পরিস্থিতে ওয়ার্ডে, ২০ -২৫ জন প্রবেশ করবেন না। এতে চিকিৎসা কার্যক্রম মারাত্মক ভাবে ব্যাহত হয়।
► প্রভাব বিস্তার করা অনৈতিক। যার অসুস্থতা যত বেশি সেই আগে চিকিৎসা পাওয়ার অধিকারী।
► দালাল প্রতিরোধ করুন। সেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করুন।
► নাগরিক হিসেবে নিয়ম মেনে চলুন। সমাজে পরিবর্তন আনতে হলে নিজকে আগে পরিবর্তন করতে হয়। অন্যের নিন্দা না করে তার মধ্যে ভালো কী আছে সেটা খুঁজুন। শান্তি পাবেন। চিকিৎসা একটি সমন্বিত দলগত প্রক্রিয়া। এখানে ডাক্তার থেকে শুরু করে, পরিচ্ছন্ন কর্মী, রোগী, অ্যাটেন্ডেন্ট সবাইকে সহনশীল ও পজিটিভ থাকতে হয়। তারপরেও সমাজে প্রত্যেক পেশাতেই সবার বিশ্বাস, চিন্তাভাবনা, আবেগ, প্রত্যাশা প্রাপ্তির হিসেব কোন দিনই এক হয় না। সবার ভুল হয়। কাউকে বা কোন পেশাকে অসন্মান করা উচিৎ নয়।

► কোন ব্যাপারে ক্ষুব্দ হলে প্রশাসনকে জানান, ধমক দিবেন না।

► কারণ আমরা, ইন্ডোরে গড়ে ৩০০০ ও আউট ডোরে ৬০০০ রোগীর চিকিৎসা দেই।

► কিন্তু সেই পরিমাণ দক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনবল ও জায়গার তীব্র সংকট।

► আশার কথা হলো, আমাদের হাসপাতালের জন্য ১২ তলা বিশিষ্ট দুইটা ওয়ার্ড হচ্ছে। কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আবাসন হচ্ছে। সব মানুষ সমান ধর্য্যশীল হয় না।কোন কালেই ছিল না। আমাদের রোগী, অ্যাটেনডেন্ট স্টাফ, ডাক্তাররা পরিশ্রম করেন। কিন্তু আমরা পুরো খুশি হতে পারি না। এর কারণ ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত রোগী, সকল পর্যায়ের স্টাফ ও ডাক্তারের স্বল্পতা। সর্বোপরি দক্ষতার ঘাটতি। কেউ যদি তাঁর দায়িত্ব অবহেলা করেন, ফাঁকি দেন আল্লহ সেটা দেখবেন। এত সস্তায় পৃথিবীর কোথাও চিকিৎসা নাই এবং এত দ্রুত চিকিৎসা পৃথিবীর কোন দেশে হয় না।

► আমি ইন্টার্ণ ও মিড লেভেলের ডাক্তারদের কাজে পরিপূর্ণ সন্তুষ্ট এবং কৃতজ্ঞ। ওরা নবীণ শিক্ষানবিশ চিকিৎসক।

► নার্স অফিসারদের আর একটু সহনশীল হতে হবে। কিছু না করতে পারলে অন্ততঃ ভালো ব্যবহার করুন।

► রোগীর স্বজনরাও সহযোগিতা পূর্ন মনোভাব নিয়ে শান্ত থাকুন। যখন কোয়ান্টিটি বাড়ে তখন সব কিছু মানসন্মত ভাবে দেয়া সম্ভব হয় না।

আমি দোষ ক্রুটি মুক্ত নই। আমার সাধ্যের সবটুকুই দিয়ে কাজ করছি। কাংখিত উন্নতি হয়তো হয়নি। সে জন্য আপনাদের কাছে ক্ষমা প্রার্থী

► জরুরী পরিস্থিতে ওয়ার্ডে, ২০ -২৫ জন প্রবেশ করবেন না। এতে চিকিৎসা কার্যক্রম মারাত্মক ভাবে ব্যাহত হয়।
► প্রভাব বিস্তার করা অনৈতিক। যার অসুস্থতা যত বেশি সেই আগে চিকিৎসা পাওয়ার অধিকারী।
► দালাল প্রতিরোধ করুন। সেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করুন।
► নাগরিক হিসেবে নিয়ম মেনে চলুন। সমাজে পরিবর্তন আনতে হলে নিজকে আগে পরিবর্তন করতে হয়। অন্যের নিন্দা না করে তার মধ্যে ভালো কী আছে সেটা খুঁজুন। শান্তি পাবেন। চিকিৎসা একটি সমন্বিত দলগত প্রক্রিয়া। এখানে ডাক্তার থেকে শুরু করে, পরিচ্ছন্ন কর্মী, রোগী, অ্যাটেন্ডেন্ট সবাইকে সহনশীল ও পজিটিভ থাকতে হয়। তারপরেও সমাজে প্রত্যেক পেশাতেই সবার বিশ্বাস, চিন্তাভাবনা, আবেগ, প্রত্যাশা প্রাপ্তির হিসেব কোন দিনই এক হয় না। সবার ভুল হয়। কাউকে বা কোন পেশাকে অসন্মান করা উচিৎ নয়।

► কোন ব্যাপারে ক্ষুব্দ হলে প্রশাসনকে জানান, ধমক দিবেন না।

► কারণ আমরা, ইন্ডোরে গড়ে ৩০০০ ও আউট ডোরে ৬০০০ রোগীর চিকিৎসা দেই।

► কিন্তু সেই পরিমাণ দক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনবল ও জায়গার তীব্র সংকট।

► আশার কথা হলো, আমাদের হাসপাতালের জন্য ১২ তলা বিশিষ্ট দুইটা ওয়ার্ড হচ্ছে। কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আবাসন হচ্ছে। সব মানুষ সমান ধর্য্যশীল হয় না।কোন কালেই ছিল না। আমাদের রোগী, অ্যাটেনডেন্ট স্টাফ, ডাক্তাররা পরিশ্রম করেন। কিন্তু আমরা পুরো খুশি হতে পারি না। এর কারণ ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত রোগী, সকল পর্যায়ের স্টাফ ও ডাক্তারের স্বল্পতা। সর্বোপরি দক্ষতার ঘাটতি। কেউ যদি তাঁর দায়িত্ব অবহেলা করেন, ফাঁকি দেন আল্লহ সেটা দেখবেন। এত সস্তায় পৃথিবীর কোথাও চিকিৎসা নাই এবং এত দ্রুত চিকিৎসা পৃথিবীর কোন দেশে হয় না।

► আমি ইন্টার্ণ ও মিড লেভেলের ডাক্তারদের কাজে পরিপূর্ণ সন্তুষ্ট এবং কৃতজ্ঞ। ওরা নবীণ শিক্ষানবিশ চিকিৎসক।

► নার্স অফিসারদের আর একটু সহনশীল হতে হবে। কিছু না করতে পারলে অন্ততঃ ভালো ব্যবহার করুন।

► রোগীর স্বজনরাও সহযোগিতা পূর্ন মনোভাব নিয়ে শান্ত থাকুন। যখন কোয়ান্টিটি বাড়ে তখন সব কিছু মানসন্মত ভাবে দেয়া সম্ভব হয় না।

আমি দোষ ক্রুটি মুক্ত নই। আমার সাধ্যের সবটুকুই দিয়ে কাজ করছি। কাংখিত উন্নতি হয়তো হয়নি। সে জন্য আপনাদের কাছে ক্ষমা প্রার্থী