|

বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি রক্ষার্থে ময়মনসিংহে নির্মাণ করা হচ্ছে “জয় বাংলা চত্বর”

প্রকাশিতঃ 8:34 am | December 29, 2019

মো. মেরাজ উদ্দিন বাপ্পী, ময়মনসিংহঃ বাঙালীর জাতীয় জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন স্বাধীনতা। ত্রিশ লাখ প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত এই স্বাধীনতার স্মৃতি ধরে রাখতে বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় নির্মাণ করা হয়েছে বিভিন্ন স্থাপনা ও ভাস্কর্যের। এরই ধারাবাহিকতায় ময়মনসিংহেও নির্মিত হচ্ছে স্বাধীনতা ভাস্কর্য বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি রক্ষার্থে ‘জয় বাংলা চত্বর’।

‘জয় বাংলা’ শুধুমাত্র জাতিয় একটি স্লোগান নয় বরং অন্যায়-অবিচার ও জুলুম-নির্যাতনকে পদদলিত করে বীর বাঙালীর মুক্তি ও স্বাধীনতা অর্জনের একটি সাহসী উচ্চারণ। তাই এই নামেই নামকরণ করা হয়েছে স্বাধীনতার ৫১ বছর পর ময়মনসিংহে নির্মিত ‘জয় বাংলা চত্বর’।

ময়মনসিংহের প্রাণকেন্দ্র চায়না ব্রীজ ও বেড়ীবাধের পার্শ্বে সদ্য নির্মিত লিং সড়কের মধ্যবর্তী জায়গায় মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকবে এ ‘জয় বাংলা চত্বর’।

ময়মনসিংহের ইতিহাসে উন্নয়নের কিংবদন্তি ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো: ইকরামুল হক টিটু উদ্যোগে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানাতে আকর্ষনীয় ও দৃষ্টিনন্দন “জয় বাংলা চত্বর ” নির্মানের কাজ চলছে।

সিটি কর্পোরেশন সূত্রে জানাযায়, ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে চায়না ব্রীজ ও বেড়ীবাধের পার্শ্বে সদ্য নির্মিত লিং সড়ক সংলগ্ন নির্মাণ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াধীন-“জয় বাংলা চত্বর” এর ভিত্তি প্রস্তরের শুভ উদ্ধোধন করেন ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোঃ ইকরামুল হক টিটু। এই চত্বরে স্বাধীনতার স্থপতি বাঙ্গালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দীর্ঘ চল্লিশ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট বিশাল প্রতিকৃতি নির্মান করা হবে। উক্ত চত্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি স্থাপন, মহান মুক্তিযুদ্ধের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস তুলে ধরা এবং নান্দনিক পরিবেশ সৃষ্টি করা হবে। যা হবে ময়মনসিংহের জন্য সংস্কারমূলক কর্মকাণ্ড মেয়র টিটুর দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে ময়মনসিংহের ইতিহাসে।

ভাস্কর্যটি নির্মাণ করেছেন অনুপম সরকার জনি। তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় আমার জন্ম হয়নি বলে তাতে অংশ নিতে পারিনি। একজন ভাস্কর হিসেবে এটি নির্মাণ করার উদ্দেশ্য মুক্তিযুদ্ধের কিছুটা স্বাদ নেওয়া।

ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো: ইকরামুল হক টিটু বলেন, ‘তরুণ প্রজন্মের কাছে বঙ্গবন্ধুকে তুলে ধরতে ও তার স্মৃতি রক্ষার্থে এ প্রতিকৃতি নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আকর্ষনীয় ও দৃষ্টিনন্দন “জয় বাংলা চত্বর ” হবে দীর্ঘ চল্লিশ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট বিশাল প্রতিকৃতি। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মহান মুক্তিযুদ্ধের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস তুলে ধরা এবং নান্দনিক পরিবেশ সৃষ্টি করা হবে।