|

চেয়ারম্যান শহিদের বিরুদ্ধে সকল মিথ্যা মামলা স্বানীয়দের প্রত্যাহারের দাবি

প্রকাশিতঃ 5:57 pm | January 31, 2020

ইকরাম হোসেন খান মাুমুন, স্টাফ করেসপন্ডেন্টঃ জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে ময়মনসিংহের গৌীরীপুর উপজেলার গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সকল দূর্নীতিবাজ, লুটপাটকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা, কর্মচারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যাবস্হা গ্রহন করার দাবি জানিয়েছেন ৩ নং অচিন্তপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ শহিদুল ইসলাম অন্তর।

 

শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) ৩ নং অচিন্তপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ শহিদুল ইসলাম অন্তর এ দাবি জানান।

 

গৌরীপুর উপজেলা প্রশাসনের প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) অফিসের অফিস সহকারিকে মারধরের মিথ্যা মামলা ও প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের দায়ের করা চাদাবাজির হয়রানি মূলক মামলায় সময়ের সাহসী সাবেক উপজেলা ছাত্রলীগের সিনিয়র যুগ্ন-আহবায়ক, সাবেক ভিপি, খালেদা-নিজামির দুঃশাসন সহ সকল অন্যায়, অত্যাচারের বিরুদ্ধে ন্যায় ও যুক্তিগত লড়াই, সংগ্রামের প্রতিবাদী কন্ঠ ৩ নং অচিন্তপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ শহিদুল ইসলাম অন্তরকে সুপরিকল্পিত ভাবে গ্রেফতার করে স্হানীয় প্রশাসন সরকার, ব্যাক্তি ও জাতির সুনাম ক্ষুন্ন করে, সরকারের সংশ্লিষ্ট্য দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তা, কর্মচারীর দূর্নীতিকে আড়াল করে ব্যাপক লুটপাট ও বিশেষ করে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা, দূর্নীতি মুক্ত দেশ গড়ার সার্বিক উন্নয়নের পদক্ষেপকে বাধাগ্রস্ত করছে বলে মনে করেন মোঃ শহিদুল ইসলাম অন্তর।

 

তিনি বলেন, কার/কিসের স্বার্থে ? বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন সবাই পায় সোনার খনি, আমি পেয়েছি চুরের খনি। বর্তমানেও সেই চুরেরা চালাচ্ছে দূর্নীতি ও লুটপাটের মহোৎসব। সময় এসেছে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে এই চুরদের বিরুদ্ধে সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ গড়ার।

 

স্থানীয় একাধিক চেয়ারম্যান বলেন, পিআইও অফিসে সরকারের অসহায় দরিদ্র জনগোষ্টির জন্য ইউনিয়ন ভিত্তিতে বরাদ্ধ ৪৬০ পিস শীতবস্ত্রের মাঝে মাত্র ২০০ পিস কম্বল বুঝিয়ে দিয়ে এবং সরকারের বরাদ্ধের বাকি কম্বলের সঠিক ন্যায্যতা বুঝিয়ে দিতে অপরাগতা প্রকাশ করলে পিআইও অফিস চেয়ারম্যান ভিপি শহিদের উল্লেখিত ঘটনার তীব্র প্রতিবাদে ভীত হয়ে ও কালো বাজারে কম্বল বিক্রির লুটপাটকে আড়াল করতেই পিআইও অফিস শহিদের উপর মিথ্যা অভিযোগ আনয়ন করে হয়রানি ও মানহানিকর মামলা করেছে। যা কোন ভাবেই মেনে নেয়া যায় না/সম্ভব না।চেয়ারম্যান যদি তার ইউনিয়নের বরাদ্ধকৃত কম্বল চাইতে গিয়ে মামলার স্বীকার হয়, তবে সাধারন মানুষের কি হবে?

 

তাই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে দূর্নীতিবাজ ও লুটপাটকারীদের আইনের আওতায় আনতেই হবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের দপ্তরী – নৈশ্য প্রহরী নিয়োগে ব্যাপক দূর্নীতি ও অনিয়মের বিষয়টি জনগনের মাঝে সর্বত্র আলোচনায় বহুল জনশ্রুতিও রয়েছে। যেখানে উক্ত বিষয়ে জনমনে ব্যাপক দূর্নীতি ও অনিয়মের বহুল জনশ্রুতি রয়েছে,সেখানেও জনমনে ব্যাপক দূর্নীতি ও অনিয়মের জনশ্রুতির প্রেক্ষিতে ভিপি শহিদের তীব্র প্রতিবাদের ফলে শিক্ষা অফিস তাদের দূর্নীতির সত্যতা আড়ালে প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শহিদের বিরুদ্ধে চাদাবাজির মিথ্যা মামলা করে চেয়ারম্যান ভিপি শহিদের প্রতিবাদী কন্ঠকে রোধ করতে চাচ্ছে কার/কিসের স্বার্থে?

 

প্রশ্ন রইল প্রশাসন ও গৌরীপুরবাসীর হৃদয়ে। শত চেষ্টায়ও ভিপি শহিদের প্রতিবাদী কন্ঠকে রোধ করা যাবে না।কারন, শহিদের শরীরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ন্যায়, নীতি ও আদর্শের প্রতিবাদী রক্তের আদর্শই রয়েছে।

 

স্বানীয় আওয়ামীলীগ নেতারা বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে, দূর্নীতিবাজ সরকারি কর্মকর্তা, কর্মচারিদের আইনের আওতায় এনে চেয়ারম্যান ভিপি শহিদের বিরুদ্ধে সুপরিকল্পিত ভাবে প্রশাসনের দায়ের করা সকল মিথ্যা মামলা দ্রুত প্রত্যহার করতে হবে। অন্যথায় দূর্নীতিবাজ সকল কর্মকর্তা, কর্মচারীর সার্বিক লুটপাট ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেয়া হবে, জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে।